প্রচলিত শক্তি কাকে বলে উদাহরণ দাও?

 

প্রচলিত শক্তি: সংজ্ঞা ও উদাহরণ

প্রচলিত শক্তি হলো দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে প্রাপ্য শক্তির উৎস। এই ধরণের শক্তি উৎসগুলি সহজলভ্য, কম খরচে পাওয়া যায় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রমাণিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

প্রচলিত শক্তির বৈশিষ্ট্য:

  • দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত: জীবাশ্ম জ্বালানির মতো শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়।
  • ব্যাপকভাবে প্রাপ্য: বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সহজে পাওয়া যায়।
  • সহজলভ্য: খনন, উত্তোলন বা অন্যান্য পদ্ধতিতে সহজে সংগ্রহ করা যায়।
  • কম খরচে পাওয়া যায়: অন্যান্য শক্তির উৎসের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম খরচে পাওয়া যায়।
  • প্রমাণিত প্রযুক্তি: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত এবং প্রমাণিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

প্রচলিত শক্তির উদাহরণ:

1. জীবাশ্ম জ্বালানি:

  • কয়লা: বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্পে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার
  • তেল: যানবাহন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্পে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার
  • প্রাকৃতিক গ্যাস: রান্নার জ্বালানি, বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার

2. জলবিদ্যুৎ:

  • বৃহৎ জলপ্রপাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন
  • জলাধার থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন

3. পারমাণবিক শক্তি:

  • পারমাণবিক বিক্রিয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন

উল্লেখ্য:

  • প্রচলিত শক্তি উৎসগুলি জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীল, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং দীর্ঘস্থায়ী নয়।
  • টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া উচিত।

উপসংহার:

প্রচলিত শক্তি উৎসগুলি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ করে আসছে। তবে, পরিবেশগত প্রভাব এবং টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কারণে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Popular posts from this blog

হিন্দু কারা

হিন্দু শব্দের ফারসি অর্থ কি

হিন্দু ধর্মের নাম কি