সুগার লেভেল কত থাকা উচিত?
সুগার লেভেল কত থাকা উচিত?
স্বাভাবিক রক্তে শর্করার মাত্রা:
- খালি পেটে (Fasting): ৮০-১০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার (mg/dL)
- খাবার খাওয়ার ২ ঘন্টা পর (Postprandial): ১৪০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার (mg/dL) এর কম
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা:
- খালি পেটে (Fasting): ৮০-১৩০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার (mg/dL)
- খাবার খাওয়ার ২ ঘন্টা পর (Postprandial): ১৮০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার (mg/dL) এর কম
মনে রাখতে হবে:
- রক্তে শর্করার মাত্রা বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে, যেমন: খাবার, ব্যায়াম, ওষুধ, স্ট্রেস, ইত্যাদি।
- নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
- আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের উপায়:
- স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ খাবার, কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) সম্পন্ন খাবার।
- চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করা: মিষ্টি, কোলাজাতীয় পানীয়, ফলের রস, ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করা: ফাস্ট ফুড, নুডুলস, পিজ্জা, ইত্যাদি।
- লাল মাংস কম খাওয়া: গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস, ইত্যাদি।
- পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার কম খাওয়া: পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ, দই, পনির, ইত্যাদি।
- অ্যালকোহল পরিহার করা:
- নিয়মিত ব্যায়াম করা: প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো ইত্যাদি ব্যায়াম করা।
- ওজন নিয়ন্ত্রণ করা: অতিরিক্ত ওজন থাকলে তা কমিয়ে আনা।
- ধূমপান ত্যাগ করা: ধূমপান রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে।
- পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো।
- মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ: মানসিক চাপ রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে।
- ওষুধ: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন করা।