যীশু খ্রীষ্ট কত সালে মৃত্যু।

 

যীশু খ্রীষ্টের জীবনী:

ভূমিকা:

যীশু খ্রীষ্ট খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। বাইবেলের নতুন নিয়মে তাঁর জীবন, শিক্ষা, মৃত্যু এবং পুনরুত্থানের বর্ণনা পাওয়া যায়।

জন্ম ও শৈশব:

যীশু খ্রীষ্টের জন্ম সম্পর্কে দুটি সুসমাচার, ম্যাথিউ এবং লুক, বিস্তারিত বর্ণনা প্রদান করে।

  • ম্যাথিউ: যীশু বেথলেহেমে কুমারী মরিয়মের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন।
  • লুক: যীশু নাজারেথ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

যীশু খ্রীষ্টের জন্মের সঠিক তারিখ অজানা, তবে খ্রিস্টানরা 25 ডিসেম্বর তারিখটিকে বড়দিন হিসেবে উদযাপন করে।

প্রচারণা ও শিক্ষা:

  • বয়স 30: যীশু জন দ্য ব্যাপটিস্টের কাছ থেকে দীক্ষা গ্রহণ করেন এবং তার প্রচারণা শুরু করেন।
  • শিক্ষা: ঈশ্বরের রাজ্য সম্পর্কে শিক্ষা প্রদান, অলৌকিক কাজ সম্পাদন, রোগীদের নিরাময়, মৃতদের পুনরুত্থান, এবং পাপীদের ক্ষমা প্রদান।
  • উপমা: নীতিবোধ ও নৈতিকতার শিক্ষা প্রদানের জন্য উপমা ব্যবহার।
  • শিষ্য: 12 জন শিষ্য নির্বাচন এবং তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান।

যীশুর শিক্ষার মূল বিষয়:

  • ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা
  • প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসা
  • ক্ষমা
  • দান
  • নম্রতা
  • বিশ্বাস

শেষ দিন ও মৃত্যু:

  • যিরূশালেমে প্রবেশ: যীশু গাধায় চড়ে যিরূশালেমে প্রবেশ করেন এবং জনগণ তাকে রাজা হিসেবে অভ্যর্থনা জানায়।
  • শেষ ভোজ: যীশু তার শিষ্যদের সাথে শেষবারের মতো ভোজ করেন এবং তাদের মধ্যে একজন বিশ্বাসঘাতক হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেন।
  • গেথসেমানি বাগান: যীশু গ্রেপ্তারের পূর্বে রাতে প্রার্থনা করেন।
  • বিচার: যীশুকে রোমান গভর্নর পনটিয়াস পিলাতের কাছে বিচারের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
  • ক্রুশবিদ্ধ: যীশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয় এবং তিনি মারা যান।
  • পুনরুত্থান: যীশু মৃতদের মধ্যে থেকে জীবিত হয়ে ওঠেন।

খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠা:

যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থানের পর তার শিষ্যরা বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টধর্ম প্রচার করতে শুরু করেন।

যীশু খ্রীষ্টের জীবনের গুরুত্ব:

  • খ্রিস্টানদের কাছে যীশু খ্রীষ্ট ঈশ্বরের পুত্র এবং মানবজাতির ত্রাণকর্তা।

Popular posts from this blog

হিন্দু কারা

হিন্দু শব্দের ফারসি অর্থ কি

হিন্দু ধর্মের নাম কি